রথমত, এটি একটি সাফল্য! একটি সাফল্যকে পরবর্তী সাফল্যের সোপান বলা হয়। এটি আমাদের বাঙালি সংস্কৃতি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষুদ্র প্রয়াসের একটি অনুকরণীয় সাফল্য। এতে নেদারল্যান্ডসের বাংলাদেশি দূতাবাসই প্রথম নয়, তবে তারা কানাডার এই প্রজন্মের ভাষাসৈনিক, যাদের কারণে ইউনেসকো একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল; তাদের সেই মুকুটে আরও একটি পালক যুক্ত করেছেন। নেদারল্যান্ডসের বাংলাদেশি দূতাবাসের সকল সদস্যকে এ জন্যে ব্যক্তিগতভাবে অভিনন্দন। দ্বিতীয়ত, এই শহীদ মিনারই বিদেশের মাটিতে আমাদের বাঙালিদের প্রতিনিধিত্ব করবে, হয়ে উঠবে বাঙালি সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র, একটি প্রতীক। বিভিন্ন দেশের মাটিতে ঠিক যেমনটা করে থাকে চীনের কুনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট, ফ্রান্সের আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ, জার্মান গেটে ইনস্টিটিউট! আর তৃতীয়ত, নেদারল্যান্ডসের বাংলাদেশি দূতাবাসের এই সাফল্য ধারা পৃথিবীর অন্যান্য দেশে অবস্থিত আমাদের দূতাবাসকে উৎসাহিত করবে বলে আমার বিশ্বাস। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নিযুক্ত আমাদের রাষ্ট্রদূত মহোদয় এবং প্রবাসী বাঙালিরা এই কারণে উৎসাহিত হবেন বলেই আমাদের বিশ্বাস