সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

অক্টোবর, ২০১৭ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে
য়ান্নর ভাষা আন্দোলন করে শহীদ হয়েছিলেন বরকত, জব্বার, রফিক ও সালামসহ আরও অনেকে। আর বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের পর দ্বিতীয় দফায় আরেকটি ভাষা আন্দোলন করেছিলেন কানাডাপ্রবাসী রফিকুল ইসলাম ও আব্দুস সালাম। সে কারণেই ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেসকো একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল। এরপর বাকিটা ইতিহাসের বিনির্মাণ। শুধু কানাডা নয় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়াসহ বেশ কয়েকটি দেশের পর নেদারল্যান্ডসের বাংলাদেশি দূতাবাস সেই দেশের রাজধানী দ্য হেগের জাউদার পার্কে শহীদ মিনারের জন্য যে জায়গাটি পেয়েছে সেখানে সুন্দর একটি শহীদ মিনার গড়ে উঠবে, নেদারল্যান্ডসের বাঙালি সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠবে সেটা—এমনটাই আমাদের আশা জাগানিয়া মন দাবি করতে পারে। কিন্তু এই খবরে এত উদ্বেলিত হওয়ার কি আছে? এমন প্রশ্ন হতেই পারে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরে কনসার্ট ফর বাংলাদেশ নামে যে সংগীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল সেটা আমাদের বাঙালি জাতির ওপর হানাদার পাকিস্তানি আর্মির নির্মম অত্যাচার প্রতিরোধে সহায়ক হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে বিশ্ব জনমত গঠনে ভূমিকা...
লো যাই, বঙ্গোপসাগরের বুকের উত্তাল এক দ্বীপ—সন্দ্বীপ। যেখানে নারঙ্গি নারকেলরা নির্বিবাদে বাঁচতে পারে। মেঘনার উত্তাল গর্জনের সঙ্গে সৃষ্টি হওয়া অনাদিকালের অব্যক্ত ভাষা যেখানে জুঁই-চামেলি-মালতীর পাতায় বাতাসের মধুর গুঞ্জন ছড়ায়। যেখানে প্রতিদিন সুখের প্লাবন ওঠে দিঘির সবুজ জলে ছলাৎ ছল। যেখানে সন্ধ্যা নামার পরেই নির্জন রাত আসে সুপ্ত গাছের খামে। যেখানে ঘুমন্ত গাছেরা সব নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে থাকে নিঝুম আয়োজনে। চলো যাই, সেই শূন্য দ্বীপে, যেখানে রাত নামলেই ডাব গাছে উঠে শৌখিন চোর। যেখানে সন্ধ্যা নামলেই বসে জোনাকির হাট। যেখানে সকাল হলেই শিউলিতলায় ফুল কুড়াতে নামে শৈল্পিক কোনো ভুবন। চলো যাই সেই স্বর্ণ দ্বীপে, যেখানে জানালার আড়ালে মুগ্ধতা নিয়ে তোমাকেই দেখে অপেক্ষাক্রান্ত ব্যাকুল কোনো চোখ। চলো যাই, সাগরের বুকের সেই স্যান্ডহীপ, যেখানে হঠাৎ ইচ্ছে হলে পাশের মানুষটাকে বলা যায় আসো জলে নামি। যেখানে জল মানে জীবন। জল মানে আকর্ষিক জলোচ্ছ্বাসে হারানো ভিটেমাটি ঠিকানা। চলো যাই বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্ব উপকূলে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত চট্টগ্রাম জেলার অন্তর্গত সেই দ্বীপে। যার নাম সন্দ্বীপ। এই নাম নিয়ে সন্দ্বীপের মানুষের মুখ থেকে...
য়ান্নর ভাষা আন্দোলন করে শহীদ হয়েছিলেন বরকত, জব্বার, রফিক ও সালামসহ আরও অনেকে। আর বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের পর দ্বিতীয় দফায় আরেকটি ভাষা আন্দোলন করেছিলেন কানাডাপ্রবাসী রফিকুল ইসলাম ও আব্দুস সালাম। সে কারণেই ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেসকো একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল। এরপর বাকিটা ইতিহাসের বিনির্মাণ। শুধু কানাডা নয় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়াসহ বেশ কয়েকটি দেশের পর নেদারল্যান্ডসের বাংলাদেশি দূতাবাস সেই দেশের রাজধানী দ্য হেগের জাউদার পার্কে শহীদ মিনারের জন্য যে জায়গাটি পেয়েছে সেখানে সুন্দর একটি শহীদ মিনার গড়ে উঠবে, নেদারল্যান্ডসের বাঙালি সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠবে সেটা—এমনটাই আমাদের আশা জাগানিয়া মন দাবি করতে পারে। কিন্তু এই খবরে এত উদ্বেলিত হওয়ার কি আছে? এমন প্রশ্ন হতেই পারে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরে কনসার্ট ফর বাংলাদেশ নামে যে সংগীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল সেটা আমাদের বাঙালি জাতির ওপর হানাদার পাকিস্তানি আর্মির নির্মম অত্যাচার প্রতিরোধে সহায়ক হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে বিশ্ব জনমত গঠনে ভূমিকা রেখেছিল। মাত্র ...
রথমত, এটি একটি সাফল্য! একটি সাফল্যকে পরবর্তী সাফল্যের সোপান বলা হয়। এটি আমাদের বাঙালি সংস্কৃতি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষুদ্র প্রয়াসের একটি অনুকরণীয় সাফল্য। এতে নেদারল্যান্ডসের বাংলাদেশি দূতাবাসই প্রথম নয়, তবে তারা কানাডার এই প্রজন্মের ভাষাসৈনিক, যাদের কারণে ইউনেসকো একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল; তাদের সেই মুকুটে আরও একটি পালক যুক্ত করেছেন। নেদারল্যান্ডসের বাংলাদেশি দূতাবাসের সকল সদস্যকে এ জন্যে ব্যক্তিগতভাবে অভিনন্দন। দ্বিতীয়ত, এই শহীদ মিনারই বিদেশের মাটিতে আমাদের বাঙালিদের প্রতিনিধিত্ব করবে, হয়ে উঠবে বাঙালি সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র, একটি প্রতীক। বিভিন্ন দেশের মাটিতে ঠিক যেমনটা করে থাকে চীনের কুনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট, ফ্রান্সের আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ, জার্মান গেটে ইনস্টিটিউট! আর তৃতীয়ত, নেদারল্যান্ডসের বাংলাদেশি দূতাবাসের এই সাফল্য ধারা পৃথিবীর অন্যান্য দেশে অবস্থিত আমাদের দূতাবাসকে উৎসাহিত করবে বলে আমার বিশ্বাস। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নিযুক্ত আমাদের রাষ্ট্রদূত মহোদয় এবং প্রবাসী বাঙালিরা এই কারণে উৎসাহিত হবেন বলেই আমাদের বিশ্বাস
আমার প্রথম বিদেশে আসা চীনে। এ দেশে এসে প্রথম তিন দিন বার্গার আর নুডলস খেয়ে কাটালাম। কিন্তু তাতে ভাতের খিদে মিটল না। বাঙালি বলে কথা! ভাত ছাড়া আমাদের চলেই না। চতুর্থ দিন ভাতের খোঁজে যখন পাগল প্রায় তখন সন্ধান মিলল এক টার্কিশ রেস্তোরাঁর। যেখানে ১২ ইউয়ান দিয়ে এক প্লেট ফ্রাইড রাইস খেয়েছিলাম। খুব আহামরি না হলেও ডিম দিয়ে ভাজা ওই এক প্লেট ভাত মনে হয়েছিল অমৃত। সেদিনই অনুধাবন করলাম ভাত না খেতে পারার কষ্টের মতো আর কিছু নাই। দেশের বাইরে এলে দুইটা বিষয় বেশ কষ্টকর। দ্বিতীয়টা বুঝতে আরম্ভ কিছুদিন সময় লেগেছে। সেটা হলো ভাষার কষ্ট। বাংলায় বলতে না পারার কষ্ট। সারা দিন জাপানি আর ইংরেজিতে বকবক করতে করতে অনেক ক্লান্ত আমি বাসায় ফিরে যখন বন্ধুদের সঙ্গে ফোনে কথা বলি অথবা বাংলায় চ্যাট করি মনে হয় আহা, প্রাণটা ফিরে পেলাম। ইংরেজিতে চ্যাট করা তুলনামূলকভাবে সহজ। ইংরেজি হরফে বাংলা চ্যাট করার সময় এক যন্ত্রণার নাম অটো কারেকশন। লিখি এক আর হয়ে যায় আরেক। একটা মজার কথা মনে পড়ল। আমার বন্ধু রাজুকে আমি প্রায়শই দাদা বলে ডাকি। একদিন চ্যাটে লিখলাম, Dada ki khobor? সেন্ড করার পর দেখি ওটা হয়ে গেছে— Dad ki khobor? বিব্রতকর অবস্থা! ই...
পৌষের পরিচয়ে একটি ইংরেজি পুস্তকের সমালোচনা করতে গিয়ে শ্রীযুক্ত দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় সম্পূর্ণ অবান্তর ও অহৈতুকভাবে আমার ওপর তিন পৃষ্ঠাব্যাপী ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ ও রূঢ় বাক্য বর্ষণ করেছেন, তাতে আমি বিস্মিত ও দুঃখিত হয়েছি। তাঁর সঙ্গে আমার মতভেদ আছে, সুতরাং তিনি আমার যুক্তির বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্তের খণ্ডন করে নিজ মত প্রতিষ্ঠিত করবেন, এটা সবৈর্ব বাঞ্ছনীয়! বৈজ্ঞানিক অগ্রগতির এই রাজপথ ত্যাগ করে তিনি ব্যক্তিগত গালিগালাজের পূতিগন্ধময় নর্দমায় ঝাঁপ দিয়ে পড়লেন কেন? শ্রীযুক্ত নীরেন্দ্রনাথ রায়ের লেখা এই দিক দিয়ে দৃষ্টান্তস্থল ছিল। দুঃখের বিষয় সে লেখার চারিত্রকে দেবীবাবু অনুকরণযোগ্য বিবেচনা করলেন না। দেবীবাবু নিজেকে মার্ক্সবাদী বলে থাকেন, আমিও মার্ক্সীয় দর্শনের কাছে অনেকাংশে ঋণী এবং মার্ক্সের আদর্শের সঙ্গে সম্পূর্ণ একান্তঃকরণ। তাঁর, আমার এবং আমাদের মতন আরও অনেকের মতবৈচিত্র্য ও পরস্পর সংশোধনের মধ্য দিয়ে মার্ক্সীয় দর্শনের অফুরন্ত বিকাশ তার ডায়ালেক্টিক্ গতির আরও একটি পথ খুঁজে পাবে—এইটেই তো স্বাভাবিক ও কাম্য। সে গতি কি তিনি রুদ্ধ করে দেবেন কাদার মধ্যে নেমে? বিজ্ঞানকে যে এগিয়ে চলতেই হবে এবং এযাবৎ তার এগিয়ে চ...
মোশাররফ করিম, মাহিয়া মাহি ও আনিসুর রহমান মিলন ‘ঢাকা অ্যাটাক’ সিনেমায় নায়ক আরিফিন শুভ যতটাই উজ্জ্বল, ঠিক ততটাই ম্লান নায়িকা মাহিয়া মাহি। সাংবাদিক হিসেবে মাহির অভিনয় অনেক দর্শকের পছন্দ হয়নি। এর মধ্যে পাওয়া গেল মাহির আরেকটি নেতিবাচক খবর। ‘ফালতু’ সিনেমার শুটিং শুরু হচ্ছে শিগগিরই। কিন্তু তা থেকে বাড় পড়েছেন মাহি। এই সিনেমায় মাহির পরিবর্তে কে অভিনয় করবেন, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এদিকে নায়িকা বাদ পড়ার খবরের পাশাপাশি ‘ফালতু’ সিনেমার আরেকটি খবর হলো, এতে অন্যতম নায়ক হিসেবে অভিনয় করতে যাচ্ছেন আনিসুর রহমান মিলন। গত সোমবার রাতে সিনেমার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মিলনের লিখিত চুক্তি হয়েছে। এর আগে সিনেমাটিতে অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হন মোশাররফ করিম। এবারই প্রথম সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করতে যাচ্ছেন মোশাররফ করিম ও আনিসুর রহমান মিলন। গত জুলাই মাসে প্রথম আলোয় প্রকাশিত খবরে মাহি বলেছিলেন, ‘ফালতু’ সিনেমার পরিচালকের সঙ্গে কথা হয়েছে। শিডিউলের ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। কাজটি করব। এর মধ্যে গল্প নিয়ে বসার কথা আছে।
, ০০:০১ প্রিন্ট সংস্করণ প্রতিবছর দুই ঈদের পর পরই সাধারণত ব্যাপক হারে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় রাস্তা বেশ ফাঁকাই থাকে, সেই সুযোগে চালকেরা বেপরোয়া গাড়ি চালায়, আর সে কারণেই এত সড়ক দুর্ঘটনা। এ ছাড়া ঈদের পর মানুষের কর্মস্থলে ফেরার তাড়া ও চাপ থাকে। এতে অনেক জায়গাতেই দেখা যায়, অদক্ষ চালকেরা বাড়তি আয়ের আশায় ফিটনেসবিহীন গাড়ি নিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন। দুঃখজনক হলো, এবারও তার ব্যতিক্রম হলো না। গত চার দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৯ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। প্রতিবছরই ঘটে, অথচ আমরা তা থেকে শিক্ষা নিই না। বরং বলা ভালো, শিক্ষা না নেওয়াটাই আমাদের শিক্ষা। সরকার কী করে জনগণের প্রতি এত উদাসীন থাকতে পারে—‍এর উত্তর আমরা ভেবে পাই না। এডওয়ার্ড গৌতম
রোহিঙ্গা সমস্যা, ডিমযজ্ঞ আর প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে হাজারো নেতিবাচক খবরের বাইরে একটা ভালো খবরের জন্য প্রায় কোটি প্রবাসী বাংলাদেশি সব সময় হা-পিত্যেশ করা মন নিয়ে বসে থাকেন। আশায় থাকেন, হয়তো হাজারো এই নেতিবাচক খবরের ভিড়ে দু-একটা ভালো সংবাদ পেয়ে যাবেন। কিন্তু বিধি বাম। বেশির ভাগ সময়ই প্রবাসী বাংলাদেশিরা সেরকম কোনো খবর পান না। হয় বন্যা, কিংবা চাল ঘাটতি অথবা খাদ্য সংকট, নয়তো রোহিঙ্গা সমস্যা, ডিমযজ্ঞ আর বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সংক্রান্ত খবর। তবে প্রবাসী পাঠকেরা যে মাঝে মাঝে একেবারেই সেরকম সংবাদ পান না সেটা বলা অন্যায় হবে। তেমনি একটা মন ভালো করা, আশা জাগানিয়া সংবাদ গত শুক্রবারের (১৩ অক্টোবর) প্রথম আলোয় দূর পরবাস পাতায় পড়েছিলাম। সংবাদটা আহামরি কিছু নয়। এমনও নয় যে, এই ধরনের সংবাদকে ভালো রকমের নিউজ ট্রিটমেন্ট দিয়ে প্রথম পাতায় ছাপাতে হবে। তারপরও প্রথম আলোর অনলাইন সংস্করণের দূর পরবাস পাতায় সংবাদটা প্রধান খবর হিসেবে ছাপা হয়েছে, কোটি প্রবাসী বাংলাদেশির কোনো কোনো বুভুক্ষু পাঠকের ভালো খবরের জন্য হা-পিত্যেশ করা মনকে উদ্বেলিত করেছে। খবরটা এ রকম—‘নেদারল্যান্ডসের রাজধানী দ্য হেগে নির্মিত হতে যাচ্ছে স্থায়ী ...
সন্দ্বীপের মানুষের সেই বসবাসের কাব্যে ছিল ভুবন জয় করা জাহাজ শিল্প। ইউরোপের বিভিন্ন এলাকায় রপ্তানি করা হতো জাহাজ। তখনকার সময়ে কম খরচে পৃথিবীবিখ্যাত সুন্দর ও মজবুত জাহাজ নির্মাণ হতো সন্দ্বীপেই। তাই তুরস্কের সুলতান সন্দ্বীপের তৈরি জাহাজের প্রেমে পড়ে সন্দ্বীপ থেকেই কিনে নিয়েছিলেন জাহাজ। তা ছাড়াও নোনা জল থেকে আহরণ করা লবণ শিল্পের জন্য একটা সময় সন্দ্বীপ ছিল বিখ্যাত। শস্য সম্পদে সন্দ্বীপ ছিল আপন প্রাচুর্যে পূর্ণ। ভারতবর্ষের সমৃদ্ধিশালী বন্দর হিসেবেও সন্দ্বীপ ছিল সমাদৃত। এই সব এখন অতীত স্মৃতি বিধুরতা। ক্রমান্বয়ে নদী ভাঙন তাদের সব নিঃশেষ করে দেয়, দিচ্ছে একবার, দুবার বারবার। এতই সে উত্তাল আজ যেখানে দাঁড়িয়ে আছি কালকে কূল ভেঙে যায় তার। যে কারণে আমার দ্বীপের অধিকাংশ মানুষ আজ অতিথি পাখি। ভিনদেশি। দ্বীপের সঙ্গে তাদের বুঝি জলের আড়ি! তবু কোনো এক কাক ডাকা ভোর সে টানে। জড়িয়ে রাখে মায়ার কুহকে। দূর থেকে শোনা যায় তার ভেতরে সাইকেলের টুংটাং। দেখা দেয় বিকেল জুড়ে শৈশব। ছুট ছুট কলমিতলার তলে লুকানো ওই ফুটবল। সে দ্বীপে সেগুন কাঠে দোলে অরণ্য সুখ। টিনের চালে নামে ঝুমঝুম বৃষ্টি। কান বেয়ে হেলেদুলে উঠোনে আসে কই শৈল! তপ...
দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ শেষে বাংলাদেশ দল অন্তত একটি বিষয় নিয়ে গর্ব করতে পারে, আর যা–ই হোক টস জিততে তো শিখেছে দল! সফরের ধারা বজায় রেখে টানা চতুর্থ ম্যাচেও মুদ্রা নিক্ষেপে বিজয়ী বাংলাদেশ অধিনায়ক। টসে জিতে এবার বোলিং নিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। তবে টস-ভাগ্যের মতোই অপরিবর্তিত বাংলাদেশের পারফরম্যান্স। অন্তত বোলিংয়ের ব্যাপারে এটা তো বলাই যায়। বাংলাদেশের বোলিং নিয়ে আবারও খেললেন প্রোটিয়া ব্যাটসম্যানরা। পার্লের বোল্যান্ড পার্কে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ডি ভিলিয়ার্স–ঝড়ে ৬ উইকেটে ৩৫৩ রান করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। বোলিংয়ের শুরুটা কিন্তু খারাপ ছিল না বাংলাদেশের। প্রথম দশ ওভারে কোনো উইকেট ফেলতে না পারলেও অন্তত রানরেট পাঁচের মধ্যে আটকে রাখতে পেরেছিলেন মাশরাফি-তাসকিন-রুবেলরা। উইকেট ও মাঠের কন্ডিশন মিলিয়ে বাউন্ডারির দিকেও বল ছুটছিল অনেক কম। কিন্তু প্রথম সাফল্য পেতে অপেক্ষা করতে হয়েছে ১৮তম ওভার পর্যন্ত। সাকিব আল হাসানের পঞ্চম ওভারের তৃতীয় বলের লাইন মিস করলেন কুইন্টন ডি কক। এলবিডব্লিউ হওয়ার আগে ৪৬ রান করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার এই ওপেনার। ৬১ বলের ইনিংসে মাত্র একটি বাউন্ডারি ছিল এই বাঁ হাতি ব্যাটসম্যানের। ক্যারিয়ারে ...