সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান
রোহিঙ্গা সমস্যা, ডিমযজ্ঞ আর প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে হাজারো নেতিবাচক খবরের বাইরে একটা ভালো খবরের জন্য প্রায় কোটি প্রবাসী বাংলাদেশি সব সময় হা-পিত্যেশ করা মন নিয়ে বসে থাকেন। আশায় থাকেন, হয়তো হাজারো এই নেতিবাচক খবরের ভিড়ে দু-একটা ভালো সংবাদ পেয়ে যাবেন। কিন্তু বিধি বাম। বেশির ভাগ সময়ই প্রবাসী বাংলাদেশিরা সেরকম কোনো খবর পান না। হয় বন্যা, কিংবা চাল ঘাটতি অথবা খাদ্য সংকট, নয়তো রোহিঙ্গা সমস্যা, ডিমযজ্ঞ আর বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সংক্রান্ত খবর। তবে প্রবাসী পাঠকেরা যে মাঝে মাঝে একেবারেই সেরকম সংবাদ পান না সেটা বলা অন্যায় হবে। তেমনি একটা মন ভালো করা, আশা জাগানিয়া সংবাদ গত শুক্রবারের (১৩ অক্টোবর) প্রথম আলোয় দূর পরবাস পাতায় পড়েছিলাম। সংবাদটা আহামরি কিছু নয়। এমনও নয় যে, এই ধরনের সংবাদকে ভালো রকমের নিউজ ট্রিটমেন্ট দিয়ে প্রথম পাতায় ছাপাতে হবে। তারপরও প্রথম আলোর অনলাইন সংস্করণের দূর পরবাস পাতায় সংবাদটা প্রধান খবর হিসেবে ছাপা হয়েছে, কোটি প্রবাসী বাংলাদেশির কোনো কোনো বুভুক্ষু পাঠকের ভালো খবরের জন্য হা-পিত্যেশ করা মনকে উদ্বেলিত করেছে। খবরটা এ রকম—‘নেদারল্যান্ডসের রাজধানী দ্য হেগে নির্মিত হতে যাচ্ছে স্থায়ী শহীদ মিনার। নেদারল্যান্ডসের বাংলাদেশ দূতাবাসের দীর্ঘ দুই বছরের প্রচেষ্টায় হেগের সবুজ ও সুবিশাল জাউদার পার্কে শহীদ মিনারের জন্য একটি স্থান বরাদ্দ করে নগর কর্তৃপক্ষ গতকাল (১১ অক্টোবর) দূতাবাসকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়েছে। এর ফলে স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশিদের নেদারল্যান্ডসে একটি স্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণের দীর্ঘ লালিত স্বপ্ন বাস্তব রূপ লাভ করতে যাচ্ছে।’ নেদারল্যান্ডসের বাংলাদেশি দূতাবাস থেকে পাঠানো একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তির সঙ্গে দুটি ছবি দিয়ে যে সংবাদটি পরিবেশিত হয়েছে তাররোহিঙ্গা সমস্যা, ডিমযজ্ঞ আর প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে হাজারো নেতিবাচক খবরের বাইরে একটা ভালো খবরের জন্য প্রায় কোটি প্রবাসী বাংলাদেশি সব সময় হা-পিত্যেশ করা মন নিয়ে বসে থাকেন। আশায় থাকেন, হয়তো হাজারো এই নেতিবাচক খবরের ভিড়ে দু-একটা ভালো সংবাদ পেয়ে যাবেন। কিন্তু বিধি বাম। বেশির ভাগ সময়ই প্রবাসী বাংলাদেশিরা সেরকম কোনো খবর পান না। হয় বন্যা, কিংবা চাল ঘাটতি অথবা খাদ্য সংকট, নয়তো রোহিঙ্গা সমস্যা, ডিমযজ্ঞ আর বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সংক্রান্ত খবর। তবে প্রবাসী পাঠকেরা যে মাঝে মাঝে একেবারেই সেরকম সংবাদ পান না সেটা বলা অন্যায় হবে। তেমনি একটা মন ভালো করা, আশা জাগানিয়া সংবাদ গত শুক্রবারের (১৩ অক্টোবর) প্রথম আলোয় দূর পরবাস পাতায় পড়েছিলাম। সংবাদটা আহামরি কিছু নয়। এমনও নয় যে, এই ধরনের সংবাদকে ভালো রকমের নিউজ ট্রিটমেন্ট দিয়ে প্রথম পাতায় ছাপাতে হবে। তারপরও প্রথম আলোর অনলাইন সংস্করণের দূর পরবাস পাতায় সংবাদটা প্রধান খবর হিসেবে ছাপা হয়েছে, কোটি প্রবাসী বাংলাদেশির কোনো কোনো বুভুক্ষু পাঠকের ভালো খবরের জন্য হা-পিত্যেশ করা মনকে উদ্বেলিত করেছে। খবরটা এ রকম—‘নেদারল্যান্ডসের রাজধানী দ্য হেগে নির্মিত হতে যাচ্ছে স্থায়ী শহীদ মিনার। নেদারল্যান্ডসের বাংলাদেশ দূতাবাসের দীর্ঘ দুই বছরের প্রচেষ্টায় হেগের সবুজ ও সুবিশাল জাউদার পার্কে শহীদ মিনারের জন্য একটি স্থান বরাদ্দ করে নগর কর্তৃপক্ষ গতকাল (১১ অক্টোবর) দূতাবাসকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়েছে। এর ফলে স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশিদের নেদারল্যান্ডসে একটি স্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণের দীর্ঘ লালিত স্বপ্ন বাস্তব রূপ লাভ করতে যাচ্ছে।’ নেদারল্যান্ডসের বাংলাদেশি দূতাবাস থেকে পাঠানো একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তির সঙ্গে দুটি ছবি দিয়ে যে সংবাদটি পরিবেশিত হয়েছে তার গু

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

রথমত, এটি একটি সাফল্য! একটি সাফল্যকে পরবর্তী সাফল্যের সোপান বলা হয়। এটি আমাদের বাঙালি সংস্কৃতি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষুদ্র প্রয়াসের একটি অনুকরণীয় সাফল্য। এতে নেদারল্যান্ডসের বাংলাদেশি দূতাবাসই প্রথম নয়, তবে তারা কানাডার এই প্রজন্মের ভাষাসৈনিক, যাদের কারণে ইউনেসকো একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল; তাদের সেই মুকুটে আরও একটি পালক যুক্ত করেছেন। নেদারল্যান্ডসের বাংলাদেশি দূতাবাসের সকল সদস্যকে এ জন্যে ব্যক্তিগতভাবে অভিনন্দন। দ্বিতীয়ত, এই শহীদ মিনারই বিদেশের মাটিতে আমাদের বাঙালিদের প্রতিনিধিত্ব করবে, হয়ে উঠবে বাঙালি সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র, একটি প্রতীক। বিভিন্ন দেশের মাটিতে ঠিক যেমনটা করে থাকে চীনের কুনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট, ফ্রান্সের আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ, জার্মান গেটে ইনস্টিটিউট! আর তৃতীয়ত, নেদারল্যান্ডসের বাংলাদেশি দূতাবাসের এই সাফল্য ধারা পৃথিবীর অন্যান্য দেশে অবস্থিত আমাদের দূতাবাসকে উৎসাহিত করবে বলে আমার বিশ্বাস। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নিযুক্ত আমাদের রাষ্ট্রদূত মহোদয় এবং প্রবাসী বাঙালিরা এই কারণে উৎসাহিত হবেন বলেই আমাদের বিশ্বাস
, ০০:০১ প্রিন্ট সংস্করণ প্রতিবছর দুই ঈদের পর পরই সাধারণত ব্যাপক হারে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় রাস্তা বেশ ফাঁকাই থাকে, সেই সুযোগে চালকেরা বেপরোয়া গাড়ি চালায়, আর সে কারণেই এত সড়ক দুর্ঘটনা। এ ছাড়া ঈদের পর মানুষের কর্মস্থলে ফেরার তাড়া ও চাপ থাকে। এতে অনেক জায়গাতেই দেখা যায়, অদক্ষ চালকেরা বাড়তি আয়ের আশায় ফিটনেসবিহীন গাড়ি নিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন। দুঃখজনক হলো, এবারও তার ব্যতিক্রম হলো না। গত চার দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৯ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। প্রতিবছরই ঘটে, অথচ আমরা তা থেকে শিক্ষা নিই না। বরং বলা ভালো, শিক্ষা না নেওয়াটাই আমাদের শিক্ষা। সরকার কী করে জনগণের প্রতি এত উদাসীন থাকতে পারে—‍এর উত্তর আমরা ভেবে পাই না। এডওয়ার্ড গৌতম