সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান
সন্দ্বীপের মানুষের সেই বসবাসের কাব্যে ছিল ভুবন জয় করা জাহাজ শিল্প। ইউরোপের বিভিন্ন এলাকায় রপ্তানি করা হতো জাহাজ। তখনকার সময়ে কম খরচে পৃথিবীবিখ্যাত সুন্দর ও মজবুত জাহাজ নির্মাণ হতো সন্দ্বীপেই। তাই তুরস্কের সুলতান সন্দ্বীপের তৈরি জাহাজের প্রেমে পড়ে সন্দ্বীপ থেকেই কিনে নিয়েছিলেন জাহাজ। তা ছাড়াও নোনা জল থেকে আহরণ করা লবণ শিল্পের জন্য একটা সময় সন্দ্বীপ ছিল বিখ্যাত। শস্য সম্পদে সন্দ্বীপ ছিল আপন প্রাচুর্যে পূর্ণ। ভারতবর্ষের সমৃদ্ধিশালী বন্দর হিসেবেও সন্দ্বীপ ছিল সমাদৃত। এই সব এখন অতীত স্মৃতি বিধুরতা। ক্রমান্বয়ে নদী ভাঙন তাদের সব নিঃশেষ করে দেয়, দিচ্ছে একবার, দুবার বারবার। এতই সে উত্তাল আজ যেখানে দাঁড়িয়ে আছি কালকে কূল ভেঙে যায় তার। যে কারণে আমার দ্বীপের অধিকাংশ মানুষ আজ অতিথি পাখি। ভিনদেশি। দ্বীপের সঙ্গে তাদের বুঝি জলের আড়ি! তবু কোনো এক কাক ডাকা ভোর সে টানে। জড়িয়ে রাখে মায়ার কুহকে। দূর থেকে শোনা যায় তার ভেতরে সাইকেলের টুংটাং। দেখা দেয় বিকেল জুড়ে শৈশব। ছুট ছুট কলমিতলার তলে লুকানো ওই ফুটবল। সে দ্বীপে সেগুন কাঠে দোলে অরণ্য সুখ। টিনের চালে নামে ঝুমঝুম বৃষ্টি। কান বেয়ে হেলেদুলে উঠোনে আসে কই শৈল! তপ্ত দুপুরে তালপুকুরের ঘাটে শেওলাজমা ডুব। পাশের বাড়ির মেয়েটির বোন বোন মাখা মুখ। এই জন্যই বুঝি তারা ফিরে ফিরে আসে বহুদূর থেকে। ফিরতে যে তাদের হয়ই। একটা রক্ত গাঁদা ফুল, একটা নিজের আকাশ কিংবা একটা টিপের মায়ার জন্য। ভ্রমণপ্রিয় মানুষদের জন্য সন্দ্বীপ এক হাতছানিও বটে। নিজের দে

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

রথমত, এটি একটি সাফল্য! একটি সাফল্যকে পরবর্তী সাফল্যের সোপান বলা হয়। এটি আমাদের বাঙালি সংস্কৃতি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষুদ্র প্রয়াসের একটি অনুকরণীয় সাফল্য। এতে নেদারল্যান্ডসের বাংলাদেশি দূতাবাসই প্রথম নয়, তবে তারা কানাডার এই প্রজন্মের ভাষাসৈনিক, যাদের কারণে ইউনেসকো একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল; তাদের সেই মুকুটে আরও একটি পালক যুক্ত করেছেন। নেদারল্যান্ডসের বাংলাদেশি দূতাবাসের সকল সদস্যকে এ জন্যে ব্যক্তিগতভাবে অভিনন্দন। দ্বিতীয়ত, এই শহীদ মিনারই বিদেশের মাটিতে আমাদের বাঙালিদের প্রতিনিধিত্ব করবে, হয়ে উঠবে বাঙালি সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র, একটি প্রতীক। বিভিন্ন দেশের মাটিতে ঠিক যেমনটা করে থাকে চীনের কুনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট, ফ্রান্সের আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ, জার্মান গেটে ইনস্টিটিউট! আর তৃতীয়ত, নেদারল্যান্ডসের বাংলাদেশি দূতাবাসের এই সাফল্য ধারা পৃথিবীর অন্যান্য দেশে অবস্থিত আমাদের দূতাবাসকে উৎসাহিত করবে বলে আমার বিশ্বাস। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নিযুক্ত আমাদের রাষ্ট্রদূত মহোদয় এবং প্রবাসী বাঙালিরা এই কারণে উৎসাহিত হবেন বলেই আমাদের বিশ্বাস
, ০০:০১ প্রিন্ট সংস্করণ প্রতিবছর দুই ঈদের পর পরই সাধারণত ব্যাপক হারে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় রাস্তা বেশ ফাঁকাই থাকে, সেই সুযোগে চালকেরা বেপরোয়া গাড়ি চালায়, আর সে কারণেই এত সড়ক দুর্ঘটনা। এ ছাড়া ঈদের পর মানুষের কর্মস্থলে ফেরার তাড়া ও চাপ থাকে। এতে অনেক জায়গাতেই দেখা যায়, অদক্ষ চালকেরা বাড়তি আয়ের আশায় ফিটনেসবিহীন গাড়ি নিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন। দুঃখজনক হলো, এবারও তার ব্যতিক্রম হলো না। গত চার দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৯ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। প্রতিবছরই ঘটে, অথচ আমরা তা থেকে শিক্ষা নিই না। বরং বলা ভালো, শিক্ষা না নেওয়াটাই আমাদের শিক্ষা। সরকার কী করে জনগণের প্রতি এত উদাসীন থাকতে পারে—‍এর উত্তর আমরা ভেবে পাই না। এডওয়ার্ড গৌতম