সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান
মোশাররফ করিম, মাহিয়া মাহি ও আনিসুর রহমান মিলন‘ঢাকা অ্যাটাক’ সিনেমায় নায়ক আরিফিন শুভ যতটাই উজ্জ্বল, ঠিক ততটাই ম্লান নায়িকা মাহিয়া মাহি। সাংবাদিক হিসেবে মাহির অভিনয় অনেক দর্শকের পছন্দ হয়নি। এর মধ্যে পাওয়া গেল মাহির আরেকটি নেতিবাচক খবর। ‘ফালতু’ সিনেমার শুটিং শুরু হচ্ছে শিগগিরই। কিন্তু তা থেকে বাড় পড়েছেন মাহি। এই সিনেমায় মাহির পরিবর্তে কে অভিনয় করবেন, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
এদিকে নায়িকা বাদ পড়ার খবরের পাশাপাশি ‘ফালতু’ সিনেমার আরেকটি খবর হলো, এতে অন্যতম নায়ক হিসেবে অভিনয় করতে যাচ্ছেন আনিসুর রহমান মিলন। গত সোমবার রাতে সিনেমার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মিলনের লিখিত চুক্তি হয়েছে। এর আগে সিনেমাটিতে অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হন মোশাররফ করিম। এবারই প্রথম সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করতে যাচ্ছেন মোশাররফ করিম ও আনিসুর রহমান মিলন।
গত জুলাই মাসে প্রথম আলোয় প্রকাশিত খবরে মাহি বলেছিলেন, ‘ফালতু’ সিনেমার পরিচালকের সঙ্গে কথা হয়েছে। শিডিউলের ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। কাজটি করব। এর মধ্যে গল্প নিয়ে বসার কথা আছে।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

রথমত, এটি একটি সাফল্য! একটি সাফল্যকে পরবর্তী সাফল্যের সোপান বলা হয়। এটি আমাদের বাঙালি সংস্কৃতি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষুদ্র প্রয়াসের একটি অনুকরণীয় সাফল্য। এতে নেদারল্যান্ডসের বাংলাদেশি দূতাবাসই প্রথম নয়, তবে তারা কানাডার এই প্রজন্মের ভাষাসৈনিক, যাদের কারণে ইউনেসকো একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল; তাদের সেই মুকুটে আরও একটি পালক যুক্ত করেছেন। নেদারল্যান্ডসের বাংলাদেশি দূতাবাসের সকল সদস্যকে এ জন্যে ব্যক্তিগতভাবে অভিনন্দন। দ্বিতীয়ত, এই শহীদ মিনারই বিদেশের মাটিতে আমাদের বাঙালিদের প্রতিনিধিত্ব করবে, হয়ে উঠবে বাঙালি সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র, একটি প্রতীক। বিভিন্ন দেশের মাটিতে ঠিক যেমনটা করে থাকে চীনের কুনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট, ফ্রান্সের আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ, জার্মান গেটে ইনস্টিটিউট! আর তৃতীয়ত, নেদারল্যান্ডসের বাংলাদেশি দূতাবাসের এই সাফল্য ধারা পৃথিবীর অন্যান্য দেশে অবস্থিত আমাদের দূতাবাসকে উৎসাহিত করবে বলে আমার বিশ্বাস। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নিযুক্ত আমাদের রাষ্ট্রদূত মহোদয় এবং প্রবাসী বাঙালিরা এই কারণে উৎসাহিত হবেন বলেই আমাদের বিশ্বাস
, ০০:০১ প্রিন্ট সংস্করণ প্রতিবছর দুই ঈদের পর পরই সাধারণত ব্যাপক হারে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় রাস্তা বেশ ফাঁকাই থাকে, সেই সুযোগে চালকেরা বেপরোয়া গাড়ি চালায়, আর সে কারণেই এত সড়ক দুর্ঘটনা। এ ছাড়া ঈদের পর মানুষের কর্মস্থলে ফেরার তাড়া ও চাপ থাকে। এতে অনেক জায়গাতেই দেখা যায়, অদক্ষ চালকেরা বাড়তি আয়ের আশায় ফিটনেসবিহীন গাড়ি নিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন। দুঃখজনক হলো, এবারও তার ব্যতিক্রম হলো না। গত চার দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৯ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। প্রতিবছরই ঘটে, অথচ আমরা তা থেকে শিক্ষা নিই না। বরং বলা ভালো, শিক্ষা না নেওয়াটাই আমাদের শিক্ষা। সরকার কী করে জনগণের প্রতি এত উদাসীন থাকতে পারে—‍এর উত্তর আমরা ভেবে পাই না। এডওয়ার্ড গৌতম